শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ১২:১৯ পূর্বাহ্ন
মোঃ আবুলকালাম আজাদ
স্টাফ রিপোর্টার
সিরাজগঞ্জ বেলকুচি দৌলতপুর ডিগ্রি কলেজে বিগত কয়েক বছর হলো প্রিন্সিপাল মাসুদ রানা কে নিয়ে শত্রুতা শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে হাইকোর্টের রায় পেয়েছে প্রিন্সিপাল মাসুদ রানা।সকল চক্রান্ত এবং অবৈধ অব্যহতির বিরুদ্ধে আদালতের আশ্রয় নিয়েছিলেন বেলকুচি উপজেলার দৌলতপুর কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মাসুদ রানা। দীর্ঘ ১০ বছর সফল ভাবে অধ্যক্ষ পদে দায়িত্ব পালনের পরেও রাজনৈতিক প্রতিহিংষার স্বীকার হন মাসুদ রানা। আওয়ামী সরকারের সাবেক মন্ত্রী লতিফ বিশ্বাস বিনা কারনে বিনা নোটিশে কয়েকজন স্বার্থান্বেষী শিক্ষকের কু বুদ্ধিতে অবৈধ ভাবে অব্যহতি দেন মাসুদ রানা কে। কোন উপায় না পেয়ে অধ্যক্ষ মাসুদ রানা আদালতের আশ্রয় নেন। সর্বশেষ উচ্চ আদালতে সিআর ৫০৬/২৩ ও ৭১৯৭/২৩ মোকদ্দমায় ০৪/০৮/২৪ তারিখে অধ্যক্ষ পদে রুল নিস্পত্তি সময় পর্যন্ত মোঃ মাসুদ রানা কে দায়িত্ব পালনের আদেশ দেন। বর্তমানে কলেজে নতুন কমিটি অনুমোদন হয়। দুঃখজনক যে, নতুন কমিটির কাছেও উপাধ্যক্ষ ছানোয়ার, শিক্ষক খালেকুজ্জামান, শফিউর রহমান, হাসানুজ্জামান, রফিকুল আলম, জাহাঙ্গীর আলম অধ্যক্ষ মাসুদ রানার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে কান ভারি করে যাচ্ছে। সরজমিনে তদন্ত করতে গিয়ে দেখতে পারি যে, অধ্যক্ষ মাসুদ রানার সকল ডকুমেন্টস সঠিক। পক্ষান্তরে প্রতিপক্ষ খালেকুজ্জামান কোন ডকুমেন্টস বা আয় ব্যয় হিসাব দেখাতে পারেনি। বরং বিভিন্ন অনিয়মে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা লোপাট করেছে কয়েকজন শিক্ষক। হিসাব রক্ষক বা অফিস স্টাফ দের নিকট কোন হিসাব বা বিবরনী জমা দেননি বিগত দুই বছরের। কলেজে সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে কয়েক জন শিক্ষক ক্লাশ না করে শুধুমাত্র ষড়যন্ত্র আর অর্থ লোপাটের কাজে ব্যস্ত। অধ্যক্ষ মাসুদ রানা কে এমন বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি উত্তরে জানান যে, নতুন কমিটিকে অবগত করেছি খুব শীগ্রই ওনাদের পদক্ষেপে এসবের সমাধান হবে। তবে মাসুদ রানা দুঃখ প্রকাশ করেন যে, ষড়যন্ত্র কারীরা বসে নেই। তারা তৃতীয় পক্ষ দিয়ে আবারো কলেজটার ক্ষতি করতে নতুন কমিটির কাছে দৌড় ঝাপ শুরু করেছে। তিনি আরো বলেন যে, আমি আপনাদের মাধ্যমে সবার কাছে ম্যাসেজ দিতে চাই যে, প্রায় ২০ টি গ্রামের দরিদ্র শিক্ষার্থীদের একমাত্র বিদ্যাপীঠ এই কলেজে দ্রুত শিক্ষা বান্ধব পরিবেশ দরকার।। অধ্যক্ষ মাসুদ রানা আশা করছেন যে, নতুন কমিটির সুন্দর সিদ্ধান্তে অবশ্যই কলেজের মঙ্গল বয়ে আনবে।।
এ বিষয়ে অবৈধ অধ্যক্ষ খালেকুজ্জামান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন: আমরা কয়েকজন শিক্ষক মিলে অধ্যক্ষ মাসুদ রানার বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে নির্বাহী অফিসার আফিয়া সুলতানা কেয়া স্যারের এই অভিযোগ এর উপরে সাক্ষর করে নাই।
কলেজের এক ছাত্রী নাজমা খাতুন বলেন: আমাদের ক্লাস গুলো নিয়মিত হয়। এবং মাসুদ স্যার নিয়মিত ক্লাস নিয়ে থাকেন।
একজন ছাত্র বলেন: আমরা প্রতিদিনের ন্যায় গতকাল কেও কলেজে এসেছিলাম কিন্তু আমাদের আইসিটি আলমগীর স্যার ক্লাস নেওয়া পরে প্রিন্সিপাল মাসুদ স্যার ইংরেজি ক্লাস চলাকালীন অবস্থায় আমাদের পাচ ছয় জন শিক্ষক ক্ল্যাসরুমে ভিতরে এসে বলল কে বা কাহারা এসেছে, এই বলে প্রিন্সিপাল রুমে থাকা অবস্থায় আমাদের নিয়ে গেলো বাহিরে। বাহিরে গিয়ে দেখে ব্যানার করেছে এবং নংড়া বাজে কথা গুলো ব্যানারে লিখেছে। ওই রকম দেখে অনেকেই বাড়িতে চলে যাই। কিন্তু আমরা কলেজের সার্থে সুস্থ তদন্ত করে সুন্দর পরিবেশ ফিরিয়ে আসুক।